ট্রেনের টিকেট বিক্রির অনলাইন সেবা (ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ) বন্ধ রয়েছে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত থেকে। একইসঙ্গে কাউন্টারেও বন্ধ রয়েছে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট বিক্রি। এতে করে টিকেটপ্রত্যাশীরা পড়েছেন ভোগান্তিতে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এমন ভোগান্তির কথা জানা গেছে। যদিও রেলওয়ে আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকেট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করে থাকে।
ট্রেনের টিকেট বিক্রির কাউন্টার সফটওয়্যার বন্ধ থাকায় কাউন্টার থেকে শুধু ব্ল্যাক পেপার টিকেট (বিপিটি) দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শুধু স্ট্যান্ডিং টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে। আন্তঃনগর ট্রেনের কোনো আসন দেওয়া হচ্ছে না।
কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, আজ শুধু হাতে লেখা টিকেট দেওয়া হচ্ছে। কোনো সিট আছে কিনা সেটি দেখার সুযোগ নেই। তারা শুধু স্ট্যান্ডিং টিকেট দিচ্ছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কেন আগাম কোনো ঘোষণা ছাড়াই এই সেবা বন্ধ হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “গতকাল রাতে টিকেট বিক্রির ওয়েবসাইটের সার্ভার স্লো হয়ে গিয়েছিল। সেটা ঠিক করতে গিয়ে পুরোটা একসঙ্গে শাটডাউন হয়ে গিয়েছে। আমরা এখন আমাদের প্রিন্টেড টিকেট দিয়ে যাত্রীদের সেবা দিচ্ছি। যদিও আমাদের সব টিকেট অ্যাডভান্স বিক্রি হয়ে গিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “গতকাল রাত থেকে এটি ঠিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা আমাদের জানিয়েছে আজ দুপুরের মধ্যে এটি ঠিক হয়ে যাবে।”
উল্লেখ্য, সহজ-সিনেসিস-ভিনসেন জেভি বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকেট বিক্রির দায়িত্বে রয়েছে।
ডার্ক টু হোপ/এসএইচ