এক ভদ্রলোকের সাথে পরিচয় হয় বিমানে পাশাপাশি সিটে বসার বদৌলাতে। ভদ্রলোক তার দেশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার সুবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন ও রাজনীতি নিয়ে অনেক জানেন। বর্তমানে অবসরে হলেও নিজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জন্য তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন দেশে ঘটে যাওয়া সমসাময়িক বিষয়ে খোঁজ খবর রাখেন। প্রায় ৬ ঘন্টার আকাশ যাত্রার এই সময়ের পরস্পরের মধ্যে পরিচয়ের পর ভদ্রলোক স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাংলাদেশ সম্বন্ধে তার অনেক কাল থেকে দেখা অভিজ্ঞতা কথা বলা আরম্ভ করলেন। ভদ্রলোক এত জানেন, আমি বাংলাদেশী হয়েও তার তুলনায় স্বদেশ সম্বন্ধে জানার ব্যাপারে নিজেকে শিশু ভাবার বিকল্প মনে হয় নাই।
তিনি যা বললেন তার অর্থ হল ইহা অনস্বীকার্য যে বাংলাদেশ সম্ভাবনাময় একটা দেশ ছিল। বিগত সরকারের গতিশীল নেতৃত্বে যেমনি দেশকে সারা পৃথিবীকে তাক লাগানোর মত উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল কিন্তু কিছু কিছু ভুল আজকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক অবস্থা সৃষ্টির সুযোগ করে দিয়েছে। প্রথমত সারা পৃথিবীতে গণতান্ত্রিক দেশগুলিতে রাজনীতিবিদদের মধ্যে যেমনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে তেমনি অনানুষ্ঠানিকভাবে হলেও সংযোগ বা সম্পর্কও থাকে যাতে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে সরকারী দল বিরোধীদল মোটামোটি সহ-অবস্থান করতে পারে সেই সব দেশে অরাজনৈতিক শক্তি উত্থানের সুযোগ পায় না। তিনি বললেন আরো একটা বিষয় মনে রাখা দরকার যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যে দলই সরকার গঠন করুক না কেন তাদের দায়িত্ব দেশের সকল মানুষের জন্য শুধু নিজের দলের লোকের জন্য নয়। তাই দল-মত নির্বিশেষে সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নাই ।
রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানে কর্মরত লোকজনকে যেমন পুলিশ, আমলা, বিচার বিভাগ সহ সবাইকে পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করতে দিতে হয়। রাজনৈতিক, পারিবারিক সম্পর্ক এর কারণে কোন রকম পুরস্কার বা তিরস্কারের জন্য বিবেচিত হওয়া কোনভাবেই ঠিক নয়।
দুর্নীতি দমনের দায়িত্ব পালনকারী প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পূর্ণ সুযোগ যেমনি দিতে হয় তেমনি স্বাধীনতার অপব্যবহারের জবাবদিহিতার ব্যবস্থা রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হয়।
ভদ্রলোকের বক্তব্য আমাকে মুগ্ধ করার কারণে তাকে আমি প্রশ্ন করলাম বাংলাদেশের বর্তমান ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে আপনার বা আপনাদের প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় কি মনে হয়?
তখন তিনি আমাকে বললেন, কোথাও তাকে কোট করা যাবে না, এই প্রতিশ্রুতির পর তিনি বললেন। তাদের প্রতিষ্ঠান ২০০১ সনের প্রথম দিক বাংলাদেশ কাজ করছে তাই তারা জানেন বর্তমানে বাংলাদেশের উপর (Malevolent Power) অশুভ শক্তি ভর করেছে, যা খুবই মারাত্মক/ধ্বংসাত্মক হবে। তিনি বলেন এর ভয়াবহ পরিনতি সম্বন্ধে যতগুলি রাজনৈতিক শক্তি মাঠে আছে তাদের বেশির ভাগই বুঝেনা যে, তারা শুধু ব্যবহার হচ্ছে। বাস্তবতা হলো অশুভ শক্তি অদৃশ্যমান এবং তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের ক্ষমতার বলয়ের ভিতরেই আছে। ক্ষমতাসীন উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সাথে উঠাবসা করছেন, ক্ষমতাও ব্যবহার করছেন কিন্তু তারা (উপদেষ্টা) গুটি কয়েক ছাড়া অন্যরা জানে না। তাদেরকে যতটুকু সুযোগ দেওয়া হচ্ছে শুধু উদ্দে্যশ্য হাসিল এবং ধ্বংসের পথ প্রশস্থ করার জন্য। তিনি বললেন যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল তখন এই অশুভ শক্তির দোসরা সরকারের সাথে কৌশলে সখ্যতা সৃষ্টির মাধ্যমে অনেক অবৈধ অর্থ আহরণ করে এবং তার একটা উল্লেখ্য যোগ্য অংশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। তাদের কারণে এখন আওয়ামী লীগেকে মানুষ দুর্নীতিবাজ মনে করে। এরা আজকের ক্ষমতা দখলকারী ও বিরোধী রাজনৈতিক দলকে বড় অংকের টাকা নিয়মিত দিত। বরং এই লুটেরাদের অর্থ ক্ষমতাসীন গোষ্ঠির লোকেরা সিকি ভাগও পেতো না যে পরিমাণ অশুভ শক্তি ও বিরোধী দল পেতো। আমাদের জানা মতে গত দুই কেবিনেটে ৬০/৭০ শতাংশ মন্ত্রী তুলনামূলক ভাল ছিল। কিন্তু বাকি ৩০/৪০ শতাংশ উল্লেখযোগ্য দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিল বলে তথ্য।
এই অশুভ শক্তি বিভিন্ন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ রাখার মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তেও কৌশলে ভূমিকা রাখতো। আবার এই অদৃশ্য শক্তি সরকারের ভিতরে ঢুকে দেশের রাজনৈতিক দলগুলির সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থাও সৃষ্টি করত। যা দেশের জন্য এবং ক্ষমতাসীন দল, বিরোধীদল ও জনগণের জন্য অত্যন্ত অশুভ ছিল এবং বর্তমান অবস্থা সৃষ্টির জন্য সহায়ক হয়।
তিনি বললেন, যত ভালো কল্যাণ কর দায়িত্বই সরকার পালন করুন না কেন মানুষ শুধু তাদের ভুল গুলোই মনে জমা করে আর আকাশ সমান উন্নয়নের কথা কম স্বীকার করে। যেমন ধরুন গত ১৫ বছরে বিগত সরকার হয়তো ২০/৫০ টা ভুল বা অপরাধ করেছেন আর ১৫০০০ ভাল কাজ করেছেন। মানুষ বিশাল ভালটা নিয়ে কথা না বলে ঐ ২০/৫০ টা ভুলের বা অপরাধের কথা আকাশ চুম্বি বড় করে প্রচার করবে। কিন্তু বিরোধী দল যখন ক্ষমতায় ছিল, একটা নির্দিষ্ট করে বলার মত কোন ভাল কাজ করে নাই অথচ হাজারটা খারাপ কাজ করেছে। জনগণ বিরোধী দলের হাজারটা খারাপ কাজের কথা ভুলে যাবে আর ভাল কাজ না করার জন্যও দোষারূপ করবে না, এটাই হলো বাস্তবতা।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অরাজনৈতিক শক্তি, অশুভ শক্তির সাথে বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলি এক হয়ে সরকার উৎখাতের ব্যাপারে কাজ করেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে যে সরকার পতনের সাথে সাথে সারা দেশে সরকারি দলের সকল নেতাকর্মীর উপরে অমানবিক নির্যাতন চালালে তারা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে যাবে এবং বিরোধী দলীয় শক্তির উত্থান হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশে প্রধান বিরোধী দল জাতীয়তাবাদী দলকে বুঝানো সম্ভব হয়েছে যদি আওয়ামী লীগকে নিঃস্ব করে দেওয়া হয় তখন বিএনপি বাধা মুক্তভাবে ক্ষমতায় যেতে পারবে। যেহেতু জামায়েতে ইসলামের একটা অংশের সাথে অদৃশ্য শক্তির পূবেই যোগাযোগ ছিল এবং কৌশলগতভাবে বিএনপিকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগকে মোকাবেলা করা সহজ হবে। তাদের লক্ষ্য হল নির্বাচনে জামায়াতকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা। জামায়াত ইতিমধ্যে বিএনপিকে চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ সকল অপকর্মের উৎসাহ যোগিয়ে এখন তাদেরকে চাঁদাবাজি সংগঠন হিসাবে প্রচার করে মানুষের কাছে তাদেরকে অপ্রিয় করে তুলেছে। তাই বর্তমান অবস্থায় বিএনপি জামায়াত দৃশ্যমান এক হলেও মূলত বিএনপিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাষ্ট্রের শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলিতে অদৃশ্য শক্তির লোক বসানো হয়েছে। যেহেতু তাদের এত লোক নাই, তাই যেখানে সম্ভব জামায়াতের এবং একান্ত না পেলে বিএনপি'র লোককে পদায়নের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীদেরকে দলীয় পরিচয়ে চিহ্নিত করে আওয়ামী লীগ ঘরনার বা নির্দলীয় লোকদেরকে অবিশ্বস্ত হিসাবে পরিচিত করে সরিয়ে রাখার কারণে নিজদলীয় যোগ্য বা অযোগ্য যা পাওয়া যায় তাদেরকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরোও বললেন জামায়াতের সাথে অদৃশ্য শক্তির প্রায় ৮০ শতাংশ একমত হতে পেরেছে এবং বিএনপিকে প্রায় পুরাটাই ব্যবহার করছে।
অদৃশ্য শক্তির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে স্থায়ী শত্রুতা সৃষ্টি করা। এই জন্য বহুমুখী কাজ চলছে। উল্লেখযোগ্য অনেক বিষয়ের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার একটা উদাহরণ দেওয়া যায়, এমন তথ্য ঢুকানো হচ্ছে যাতে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে জাতি সম্বন্ধে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। একটা উদাহরণ দেওয়া যায়- যেমন জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলাও আরম্ভ হয়েছিল, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর এক দশকেরও বেশ পর। সম্ভবত ২০০৪ সনে চট্টগ্রামের একটি জনসভায় স্বাধীনতার বিপক্ষের এক ব্যক্তি প্রথম জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলেন। উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে স্থায়ী দ্বন্দ্বের জন্য জিয়াকে ব্যবহার করা। এতে বিএনপির কোন লাভ হয়েছে বলে মনে হয় না কিন্তু লাভ হয়েছে আজকে অদৃশ্য শক্তির। এখানে একথা পরিষ্কার বঙ্গবন্ধু শেখ মজিব ১৯৭০ সনে নির্বাচনে জনগনের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নেতা তিনি ব্যতিত কোন সিদ্ধান্তই আইনসম্মত নয়। তাই বঙ্গবন্ধু ছাড়া অন্য কেউ ঘোষনা দিলে ঘোষনা হবে না। যুদ্ধরত কোন মুক্তিযোদ্ধা বা সৈনিক ঘোষণা করলে তা কোনভাবে ঘোষণা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। যেমন সর্বপ্রথম এম.এ হান্নানসহ বেশ কয়েক জন নেতা ঘোষণা পত্র পাঠ করেছিল কালুঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তারা যেমনি ঘোষক হিসাবে স্বীকৃত নয় তেমনি জিয়াউর রহমানও নয়। যুদ্ধকালীন সৈনিক প্রধান ছিল এম এ জি ওসমানী তার অধীনস্থ সেক্টরগুলির মধ্যে জিয়াউর রহমান একটা সেক্টরের কমান্ডার ছিল।
কিন্তু এখন যেটা করা হয়েছে NCTB তে অদৃশ্য শক্তির নিবেদিত যে লোক আছে তারাই এবার পাঠ্য বইতে জিয়াউর রহমানকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা করেছে বলে উল্লেখ করেছেন। যা সম্পূৰ্ণ মিথ্যা। এত বৎসর বিএনপিরও ২৭ তারিখ জিয়াউর রহমানে ঘোষনার কথা বলেছে। মূলত ২৬ তারিখে তিনি চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টে ছিলেন এবং ২৭ তারিখে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ২৬ শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি পাঠ করেন। যেহেতু সংবিধানে সকল ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৫ শে মার্চ দিবাগত রাত্রে অর্থাৎ ২৬ তারিখ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে শক্ত দ্বন্দ্বের জন্য জামায়াতে ইসলাম ও জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে নতুন করে বক্তৃতা- বিবৃতি দেওয়ার আরম্ভ করেছে। কিন্তু পূর্বে জামায়াত এই বিষয়ে কথা বলত না। এতে জামায়াতের ২টা লাভ যেহেতু তারা বাংলাদেশ চায় নাই তাই বাংলাদেশের ব্যাপারে যত মিথ্যা সংযোজন করতে পারবে এবং বিএনপি আওয়ামী লীগের মধ্যে যত বেশী বিরোধ সৃষ্টি করতে পারবে এটাই তাদের শান্তি। অদৃশ্য শক্তি কোনোভাবেই আওয়ামী লীগ তো নয় এবং বিএনপিকে ক্ষমতায় না আসার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টার অংশ হিসাবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দ্বন্দ্ব টিকিয়ে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার পর বিএনপিকে সম্ভাব্য দুর্বল করা যাতে পরবর্তী নির্বাচনে জামায়েত অদৃশ্য শক্তির সমন্বয়ে সরকার গঠন করতে পারে। আর বিএনপিকে বিরোধী দলে স্থান করে দেওয়া। মাঝে মাঝে যখন বিএনপি বুঝে যায়, তখন হাতের রশি কিছু ছাড় দেয় কারণ বিএনপিকে যেন আওয়ামী লীগ দমনে সহায়ক হয়। বিএনপিকে চাঁদাবাজি/দখলবাজি ও মানুষের উপর অত্যাচারে উৎসাহ দেওয়ার উদ্দেশ্য ও তাদেরকে জনগনে নিকট অপ্রিয় করে তোলা যা অনেক অংশেই সফল হয়েছে।
আর একটা বিষয় ভারত বিরোধিতা একটা বড় অস্ত্র জামায়াত ও অশুভ শক্তি বিএনপিকে দিয়ে ভালোভাবে করাতে সক্ষম হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বা অন্য উপদেষ্টারা প্রথম ভারতের বিরুদ্ধে কথা বললেও পরবর্তীতে বিএনপিকে দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সংঘাত সৃষ্টি জন্য ঢাকা থেকে আখাউড়া রোড মার্চ এবং রিজভি সাহেবকে দিয়ে ভারতীয় পন্য পোড়ানোর উদ্দ্যোগ ছিল আন্তর্জাতিকভাবে বিএনপিকে বন্ধু শূন্য করা। একটা কথা মনে রাখা ভাল ভারত পৃথিবীতে অথনীতিতে ৫ম শক্তি এবং এশিয়ার মধ্যে অন্যতম শক্তি যার সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া ভাল সম্পর্ক বিদ্যমান। অন্য দিকে চীনের সাথে তাদের সম্পর্ক যত খারাপই হোক উভয়ের সাথে পরষ্পরের বানিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় রয়েছে। ভারত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হতে যাচ্ছে। তাই তাদের সাথে বিনা কারণে শত্রুতা কারোও লাভের নয়। এক্ষেত্রে বিএনপি মনে হয় না বুঝে অদৃশ্য শক্তির ফাঁদে পা দিয়েছে ।
ভদ্রলোকের শেষ যবনিকা ছিল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের যদি এক হয়ে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব কমাতে পারে এবং অতীতের তিক্ততার কারণগুলো চিহ্নিত করে একটা শক্ত প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে এগিয়ে যায় তাহলে বাংলাদেশ উদ্ধার পাবে এবং এগিয়ে যাবে অন্যথ্যায় জাতি হিসেবে অনিবার্য ধ্বংস হবে।